একটি চাঞ্চল্যকর নথি ফাঁসের ঘটনায় জানা গেছে, গাজা যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। ‘এমিরেটলিকস’ নামক অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের দাবি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে লেখা এই নথিতে লোহিত সাগর ও ইয়েমেন উপকূলে অবস্থিত আমিরাতের সামরিক ঘাঁটিগুলো ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যবহারের জন্য প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়।
নথিটি আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর যৌথ অভিযান কমান্ডের উদ্দেশ্যে লিখেছিলেন হামদান বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান। এতে বলা হয়, ‘আব্রাহাম চুক্তি’র ধারাবাহিকতায় এবং তথাকথিত ‘সন্ত্রাসবাদ’ মোকাবিলায় ইসরায়েলকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আমিরাত ইসরায়েলকে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার মূল্যের উন্নত গোয়েন্দা প্রযুক্তি সরবরাহ করেছে। পাশাপাশি নথিতে হামাসকে সমর্থনের জন্য কাতার ও কুয়েতের কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে।
তথ্যমতে, সোমালিয়া ও ইয়েমেনের কৌশলগত বন্দরগুলোতে থাকা আমিরাতি ঘাঁটিগুলো ইসরায়েলের লজিস্টিক সাপোর্টের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এর আগে ২০২৪ সালে ‘বালকান ইনসাইট’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, আমিরাত-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গাজায় ব্যবহারের জন্য বিপুল পরিমাণ অস্ত্র রপ্তানি করেছে। বর্তমানে আমিরাত ও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সাইবার নিরাপত্তা ও সামরিক প্রযুক্তিতে একে অপরের অংশীদার হিসেবে কাজ করছে, যা গাজা পরিস্থিতির মধ্যেও তাদের গভীর কৌশলগত সম্পর্কেরই প্রতিফলন।