News ধনসম্পদ ব্যবহারে ইসলামের নির্দেশ—পরকালেই আসল সফলতা

ধনসম্পদ ব্যবহারে ইসলামের নির্দেশ—পরকালেই আসল সফলতা

সোশ্যাল শেয়ার

আল্লাহ যাকে ইচ্ছা ধনসম্পদ ও সম্মান দান করেন, আবার চাইলে তা ছিনিয়েও নেন। ক্ষমতাধর রাজা-সম্রাটদেরও সম্পত্তি শেষ হয়েছে আল্লাহর নির্দেশেই। যারা আল্লাহর দেওয়া নিয়ামত ন্যায় ও মানবতার কল্যাণে ব্যবহার করেছেন—তাদের নাম-যশ আজও অটুট। নবী-রাসুলেরা চাইলে সম্পদশালী হতে পারতেন, কিন্তু তারা বিলাসী জীবন ত্যাগ করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। আল্লাহ মানুষের সম্পদ ও মর্যাদাকে পরীক্ষা হিসেবে দেন এবং চিরদিন কৃতজ্ঞ থাকা ও ন্যায় পথে খরচ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

দুনিয়ার ধনসম্পদ একদিনই ফেলে যেতে হবে, কেউ কিছু সঙ্গে নিতে পারবে না। মৃত্যুর সময়-সীমাও অনির্দিষ্ট। মানুষের রেখে যাওয়া সম্পদের কী হবে—তাও অনিশ্চিত। তবে ইসলাম জানায়, মৃত্যুর পর মানুষের তিনটি কাজ স্থায়ীভাবে কল্যাণ বয়ে আনে—সু-সন্তান, সাদকায়ে জারিয়া ও দান করা সম্পদ যা গরিব-অসহায়দের উপকারে আসে। তাই ইসলাম সৎভাবে সম্পদ উপার্জনকে অনুমোদন দেয়, তবে অপব্যয়, লোভ, লুটপাট ও অনৈতিক উপায়ে সম্পদ সঞ্চয় কঠোরভাবে নিষেধ করে। অধিক সম্পদও মালিককে শান্তি দেয় না, লোভ-লালসা তাকে অস্থির করে তোলে।

মূল শিক্ষা হলো—জীবন ক্ষণস্থায়ী, তাই অবৈধ পথে সম্পদ সঞ্চয় নয়; আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে ন্যায় ও মানবকল্যাণে সম্পদ ব্যয় করাই প্রকৃত সফলতা।

সোশ্যাল শেয়ার