পৌষের শেষার্ধে নওগাঁয় শুরু হয়েছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। বুধবার সকালে জেলার বদলগাছীতে এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তাপমাত্রা ৪.৩ ডিগ্রি কমে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। হিমেল হাওয়া আর ১০০ শতাংশ আর্দ্রতার কারণে হাড়কাঁপানো শীতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনের বেলা সূর্যের দেখা মিললেও হিমেল বাতাসের কারণে ঠান্ডার তীব্রতা কমছে না। বিশেষ করে ভ্যানচালক ও দিনমজুররা ভোরে এবং সন্ধ্যায় কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় গরম কাপড়ের অভাবে চরম কষ্টে আছেন ছিন্নমূল মানুষ।
শীতজনিত রোগের প্রকোপও বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে বর্তমানে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় দুই শতাধিক রোগী চিকিৎসাধীন।
দুর্ভোগ লাঘবে জেলা প্রশাসন ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করেছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আশেকুর রহমান জানান, ১১টি উপজেলার জন্য ৬৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত ৩০ হাজার ৬শ পিস কম্বল বিতরণের কাজ চলমান রয়েছে। আবহাওয়া অফিস সতর্ক করেছে যে, আগামী সপ্তাহে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।