সবজি-ফলের পাশাপাশি পেস্তা-বাদামও গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস। ছোট এই বাদামে রয়েছে প্রোটিন, আঁশ, স্বাস্থ্যকর চর্বি, বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ। এটি হৃদযন্ত্র, অন্ত্র, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ও বিপাকক্রিয়া উন্নত করে। নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির পুষ্টিবিদ ড. লিসা আর. ইয়ং জানান, পেস্তায় থাকা লুটেইন, জিয়াক্সানথিন ও ভিটামিন বি-সিক্স চোখ, মস্তিষ্ক ও দেহের টিস্যু রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রতি ২৮ গ্রাম পেস্তায় তিন গ্রাম আঁশ থাকে, যা হজমে সহায়তা ও গাট মাইক্রোবায়োম শক্তিশালী করে। এতে থাকা তামা ও ম্যাঙ্গানিজ শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে রোগপ্রতিরোধ বাড়ায়। বিশেষজ্ঞ জুলিয়া লয়েডের মতে, নিয়মিত পেস্তা খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
অন্যান্য বাদামের তুলনায় কম ক্যালোরিযুক্ত হওয়ায় এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। আঁশ-প্রোটিন ধীরে হজম হওয়ায় তৃপ্তি দীর্ঘস্থায়ী থাকে। দ্রবণীয় আঁশ ও অ্যানস্যাচুরেটেড ফ্যাট খারাপ কোলেস্টেরল কমায়, পটাসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। চোখের সমস্যায় লুটেইন-জিয়াক্সানথিন কার্যকর। উচ্চমানের প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড টিস্যু পুনর্গঠনে সাহায্য করে, তামা-ম্যাঙ্গানিজ হাড় ও রক্তনালী সুস্থ রাখে।
দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় পেস্তা নাস্তা হিসেবে, দই-ওটমিল-সালাদের সঙ্গে বা সুপ-পাস্তা-চিজ প্লেটেও ব্যবহার করা যায়। মাছ-মাংসে ক্রাস্ট হিসেবেও এটি সুস্বাদু।