প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি পরামর্শ নিশ্চিত করতে এক যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্বাস্থ্য রক্ষায় একটি নতুন রূপরেখা তৈরি করে অনুমোদনের জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
পরিকল্পনার মূল দিকসমূহ: এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি স্কুলে উন্নত মানের ফার্স্ট এইড বক্স, ওজন ও উচ্চতা মাপার যন্ত্র, রক্তচাপ মাপার মেশিন এবং সুগার পরীক্ষার সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে। নিয়মিত টিকাদান ও ভিটামিন-এ ক্যাপসুল বিতরণের পাশাপাশি এখন থেকে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের বয়স ও ওজন অনুযায়ী সুষম খাদ্যের তালিকা সংবলিত পোস্টার ও লিফলেট বিতরণ করা হবে।
বিশেষ গুরুত্ব: মেয়ে শিক্ষার্থীদের বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য এবং সবার মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে বিশেষ কর্মশালার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষকদের দেওয়া হবে বিশেষ প্রশিক্ষণ। যদি কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থী দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন, তবে সরকারি হাসপাতালে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হবে।
লক্ষ্য ও প্রভাব: সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, স্কুল পর্যায় থেকে এই সেবা শুরু হলে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে এবং রোগ দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এটি একটি সুস্থ ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুমোদন মিললেই দ্রুত মাঠ পর্যায়ে এর বাস্তবায়ন শুরু হবে।