মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নতুন মোড় নিচ্ছে। ইসরায়েলি সামরিক রেডিওকে জার্মান সূত্র জানিয়েছে— ইরানের হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অভিযানে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে জার্মানি। বিমান হামলা ও সামরিক সহায়তার পরিকল্পনাও নাকি চলছে। একই সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষামূলক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে। সম্ভাব্য লক্ষ্য— আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ও দিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটি।
অন্যদিকে প্রশ্ন উঠছে— চীন ও রাশিয়া কোথায়? রাশিয়া ও চীন ইরানের ‘কৌশলগত অংশীদার’, কিন্তু সামরিক ‘মিত্র’ নয়। ফলে তারা নিন্দা ও কূটনৈতিক সমর্থন দিলেও সরাসরি যুদ্ধে নামছে না। ন্যাটো–র আর্টিকেল ৫ অনুযায়ী, সদস্য আক্রান্ত হলে সবাই লড়াই করে। কিন্তু ইরানের সঙ্গে রাশিয়া-চীনের সম্পর্ক সে রকম নয়। বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিং ও মস্কো যুদ্ধ নয়— স্বার্থ বাঁচানোর খেলায় আছে। মধ্যপ্রাচ্য কি বড় জোটযুদ্ধে রূপ নিচ্ছে? এখন নজর জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের পরবর্তী সিদ্ধান্তে।