রোহিঙ্গাদের জন্য নতুন সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। মোট ৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার—যেখানে যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে ৬০ মিলিয়ন এবং যুক্তরাজ্য ৩৬ মিলিয়ন।
এ প্রতিশ্রুতি এসেছে জাতিসংঘ সদর দফতরে মঙ্গলবার আয়োজিত প্রথম উচ্চপর্যায়ের রোহিঙ্গা সম্মেলনে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই অর্থ কি শুধু ক্ষতিপূরণ, নাকি এটি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পথে কার্যকর হতে পারবে?
সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে ভাষণ দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র শান্তিপূর্ণ সমাধান হলো তাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন। তিনি সাত দফা প্রস্তাব দিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে রাখাইনে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য বাস্তব রোডম্যাপ তৈরি।
তাঁর মতে, অর্থায়ন ক্রমেই কমে আসছে। তাই প্রশ্ন উঠতে পারে—কি পর্যায়ে আন্তর্জাতিক সহায়তা কার্যকর হতে পারছে, আর কতটা দ্রুত রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানো সম্ভব?
এসময় প্রধান উপদেষ্টা বলেছিলেন, এখন একমাত্র শান্তিপূর্ণ পথ হলো, তাদের প্রত্যাবাসন শুরু করা। অর্থাৎ সহায়তা যতই আসে, যদি বাস্তব পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে সংকটের সমাধান হবে কঠিন। এই নতুন সহায়তা কী শুধু অর্থের সীমাবদ্ধতা পূরণ করবে, নাকি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও জীবনমানের বাস্তব পরিবর্তনও আনবে?