উৎসব পর্যটন দিবসে প্রশ্ন: বাংলাদেশ কতটা পিছিয়ে?

পর্যটন দিবসে প্রশ্ন: বাংলাদেশ কতটা পিছিয়ে?

সোশ্যাল শেয়ার

বিশ্ব-পর্যটন-দিবস

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস কিন্তু প্রশ্ন হলো—পর্যটন কি শুধু অর্থনীতির হিসাব, নাকি মানুষের জীবন, সংস্কৃতি আর পরিবেশের সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত? ১৯৮০ সাল থেকে জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা এই দিনটি পালন করে আসছে। এবারের প্রতিপাদ্য—‘পর্যটন এবং টেকসই রূপান্তর’। মানে, পর্যটন যেন হয় পরিবেশবান্ধব, সামাজিকভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং অর্থনৈতিকভাবে টেকসই।

বাংলাদেশে দেশীয় পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক। কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেছে—কেন বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা আশানুরূপ নয়?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন—পর্যটন খাতের জন্য নীতি-সহায়তা নেই। বিদেশি কারেন্সি আনার পরও পর্যটনে কর ছাড় নেই, বরং ১০ শতাংশ কর কাটা হয়। আবার দেশের ভাবমূর্তিও প্রভাবিত হয় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে অপরাধমূলক ঘটনার নেতিবাচক প্রচারণায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী বলছেন—আমাদের মিশনগুলো বিদেশে সঠিকভাবে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করতে পারছে না। পর্যটন প্রমোশনের জন্য আলাদা ডেস্ক দরকার।

প্রশ্ন থেকে যায়—আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কি আমরা সঠিকভাবে ব্র্যান্ড করতে পারছি? নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, টেকসই পরিকল্পনা ও সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া কি পর্যটন খাত এগোবে? নাকি আমরা আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করব এক মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়নের জন্য?

সোশ্যাল শেয়ার