চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। টানা ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও নদীর পানি বৃদ্ধিতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার ৯ লাখ ২৮ হাজার মানুষ। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে, যেখানে মারা গেছেন ২৩ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ৮ জন, বান্দরবানে ৬ জন এবং রাঙ্গামাটিতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সবচেয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী। দুই উপজেলায় পাঁচ লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি। বিশুদ্ধ পানি, খাবার ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক এ লাকায় বিদ্যুৎ ও মোবাইল যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং ত্রাণ বিতরণ চলছে। বন্যা মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী উদ্ধার, অনুসন্ধান ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১২ জুলাই পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ফলে বন্যা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।