দেশে হঠাৎ বেড়ে গেছে জ্বালানি তেলের চাহিদা। আতঙ্কে বেশি বেশি তেল কেনায় সরবরাহ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি জানিয়েছে, গত অর্থবছরে দেশে অকটেনের দৈনিক চাহিদা ছিল প্রায় ১ হাজার ১০০ মেট্রিক টন। কিন্তু ১ থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত তা বেড়ে দুই হাজার টন ছাড়িয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে আজ রোববার থেকে দিনে ৯১৩ টন করে অকটেন সরবরাহ করা হবে। বর্তমানে দেশে অকটেনের মজুত রয়েছে প্রায় ২৩ হাজার টন, যা দিয়ে প্রায় ২৫ দিন চলা সম্ভব। এদিকে ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রিতেও সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মোটরসাইকেল দিনে ২ লিটার এবং প্রাইভেট কার ১০ লিটার পর্যন্ত তেল পাবে। বাস ও ট্রাকের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকার বলছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে এবং সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, দেশে এখনো জ্বালানি তেলের মজুত আছে, তবে যুদ্ধ কতদিন চলবে তা অনিশ্চিত। তাই হিসাব করে তেল ব্যবহার করতে হবে। সূত্র: প্রথম আলো