আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন দেখা গেছে। হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বড় আকার না নেওয়ায় সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা কমেছে, আর তাতেই বাজারে নেমেছে স্বস্তি।
সর্বশেষ বাজার তথ্যে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে প্রায় দুই ডলার কমেছে। একই সঙ্গে আরেকটি প্রধান মানদণ্ডের তেলের দামও উল্লেখযোগ্য হারে নেমে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত বড় যুদ্ধে রূপ নেয়নি—বিনিয়োগকারীদের এমন মূল্যায়নের পর বাজারে বিক্রির চাপ কমে এবং তেলের দাম নিচের দিকে নামতে শুরু করে। শুধু তেল নয়, প্রাকৃতিক গ্যাস ও তাপ উৎপাদনে ব্যবহৃত জ্বালানির দামেও পতন দেখা গেছে। তবে মোটরযানে ব্যবহৃত জ্বালানির দাম সামান্য বেড়েছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে কয়েক মাস ধরে অস্থিরতা চললেও আপাতত সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের আশঙ্কা দেখছেন না ব্যবসায়ীরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো সংবেদনশীল। তবে বর্তমান দরপতন ইঙ্গিত দিচ্ছে, বিশ্ববাজার অন্তত এই মুহূর্তে বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা করছে না।