ফিলিস্তিন বিষয়ক সংগঠন ফিলিস্তিন নারীবাদী জোট প্রকাশিত একশো আটাশি পাতার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গাজায় চিকিৎসা অবকাঠামো ধ্বংস, প্রসূতি সেবা বন্ধ, খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকট সৃষ্টি করে ফিলিস্তিনিদের প্রজনন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধের সময় হাসপাতাল, প্রসূতি বিভাগ, সন্তান জন্মদান কেন্দ্র এবং প্রজনন চিকিৎসা কেন্দ্রগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে অন্তঃসত্ত্বা নারী, নবজাতক ও শিশুদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।
জাতিসংঘের সাম্প্রতিক তদন্তের তথ্যও এতে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, দুই হাজার তেইশ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় একুশ হাজারের বেশি শিশু নিহত হয়েছে এবং আরও পাঁচ হাজারের বেশি শিশু ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারে। প্রতিবেদনটি দুই হাজার পঁচিশ সালের ডিসেম্বর থেকে দুই হাজার ছাব্বিশ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সংগৃহীত সাক্ষ্য, গবেষণা, মানবাধিকার নথি এবং জাতিসংঘের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। তবে, এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসরাইলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়নি।